Saturday, May 28, 2022

গত বৃহস্পতিবার আমার B1/B2 ভিসার ইন্টারভিউ ছিলো।

 গত বৃহস্পতিবার আমার B1/B2 ভিসার ইন্টারভিউ ছিলো। ভিসা পাই নাই, রিফিউসড হইছে। আমি যে ভুল গুলো করেছিলাম শেয়ার করলে হয়তো অনেকের কাজে আসবে। পাশাপাশি ১ম বার যারা ইন্টারভিউ দিবেন তাদের জন্য কিছু পরামর্শও থাকবে। 

১ম ভুলঃ 

ইংলিশ বাংলা মিক্সড করে ফেলছিলাম।  ভিসা অফিসার নিজেও কনফিউজড হয়ে গেছিলো আমাকে ইংলিশে না বাংলায় প্রশ্ন করবে এবং ইন্টারভিউ এলোমেলো হয়ে গেছিলো,  পাশাপাশি আমিও খুব ইংরেজিতে দক্ষ না হওয়ায়  গুছিয়ে বলতে গিয়ে অতিরিক্ত কিছু কথা চলে এসেছিলো । অতএব পরামর্শ থাকবে ,  যদি ইংরেজিতে খুব খুব খুব এক্সপার্ট না হন প্লিজ বাংলা বলুন। নিঃসন্দেহে ওরাও খুব ভাল বাংলা বলতে পারে। আর যা প্রশ্ন করবে বাংলাতেই গুছিয়ে বলুন এবং টু দ্যা পয়েন্টে কথা বলুন,  অতিরিক্ত কিছু বলতে যাবেন না।


২য় ভুলঃ 

ভিসা অফিসার আমার এক্সপ্রেশন এবং আই কন্টাক্ট বার বার দেখছিলো। সারাক্ষণ আমার মুখে মাস্ক পরার কারণে সে কিছুটা কনফিউজড হয়েছিলো আমার মনেহয়।  যদি মাস্ক খুলে ইন্টারভিউ দিতাম হয়তো ভালো হতো। এখানে ভিসা অফিসারসহ কারো মাস্ক পরা ছিলোনা। পরামর্শ থাকবে স্মাইলিং ফেইস  এবং কনফিডেন্স নিয়ে কথা বলুন।  কথায় আছে "কায়া দেখলে মায়া বাড়ে"। 


৩য় ভুলঃ  আমার DS-160 তে  চাকরিসহ সব ঠিকানা সিলেট দিয়েছিলাম কিন্তু কোন এক কারনে পাসপোর্ট ডেলিভারি চট্টগ্রাম সিলেক্ট করে দিয়েছিলাম।  আমাকে সর্বশেষ ২ টা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেছিলো আমি কোথায় থাকি এ সম্পর্কে। আমার মনে হয়েছিল কম্পিউটারের মাউস স্ক্রলিং করে লাস্টের দিকে এসে চট্টগ্রাম দেখে তারমনে কনফিউশান হয়েছিলো যে কেনো ডেলিভারি চট্টগ্রামে!!! 


সর্বশেষ আমার অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ হলো,  কাগজপত্র নিয়ে মাথা ঘামাইবেন না। এগুলো দেখেনা বললেই চলে তবে প্রয়োজনীয় গুলো অবশ্যই নিবেন বাইচান্স চাইলে যাতে দেখাতে পারেন ৷ আর ভালো এবং মানানসই ড্রেসআপের তো বিকল্প নাই। DS-160 ভালো করে ফিলাপ করবেন, প্রয়োজনে যাওয়ার আগে আপডেট করে নিবেন এবং কোথায় কি তথ্য দিয়েছেন মনে রাখবেন কারণ এখান থেকেই বা রিলেটেড প্রশ্ন করবে। ইন্টারভিউ দেওয়ার ১ সপ্তাহ আগে থেকেই আয়নার সামনে দাড়িয়ে প্রশ্নগুলো প্রেকটিস করুন।  প্রশ্নগুলো একেবারেই কমন ও সহজ ও নরমাল করবে। আপনি কত গুছিয়ে বলতে পারেন আগেই সাজিয়ে নিন। আপনি কথাবার্তায় অনেক ভাবসাব দেখালেন, আপনি অনেক যোগ্য,  অনেককিছুর মালিক, অনেক দেশ ঘুরছেন, আপনার অনেক ভাবসাব এইসব ভাবসাব সরাসরি বুঝাতে যাবেন না কারন ইউএস এম্বাসি এসব ভাবসাব কেয়ার করেনা!!!  তবে হ্যাঁ ভদ্রভাবে এবং ডিসেন্ট ওয়েতে বুঝাতে পারেন আপনি কোন লেবেলের মানুষ। আর এই ২/৪ মিনিটের মধ্যে তাদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হতে পারলেই আপনার ভিসা নিশ্চিত!!!  সবার জন্য শুভকামনা।

Tuesday, June 16, 2020

আগর কাঠ থেকে তৈরি হয় আতর, আগরবাতি


যদি প্রশ্ন করা হয় বাংলাদেশ থেকে রফতানি হওয়া সবচেয়ে মূল্যবান পণ্য কি?
পণ্যটি হচ্ছে আগর। লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকা অন্যতম এক শিল্পখাত আগর। আগর থেকে উৎপাদিত প্রতি তোলা আতরের দাম ৬ হাজার টাকার বেশি। বিদেশের বাজারে এই একই আগর বিক্রি হয় মান ভেদে ৫ থেকে ৩০ হাজার ডলারে। এ কারণে আগরকে বাংলাদেশের ‘তরল সোনা’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। আগর কাঠ থেকে তৈরি হয় আতর, আগরবাতি। মধ্যপ্রাচ্যে আগরের কদর অনেক। প্রতিবছর কয়েকশো কোটি টাকার আগরের পণ্য রফতানি হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য সহ সারা দেশে। শুধুমাত্র মৌলভীবাজার জেলায় ৩০০ টির বেশি কারখানা গড়ে উঠেছে। সেখানে আগর উৎপাদন ঘিরে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রষ্ঠপোষকতা পেলে দেশের ৫ হাজার কোটি টাকার আগর ব্যবসা ১০ হাজার কোটি টাকায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

আন্তর্জাতিক বাজারে আগরের মূল্য সম্পর্কে ধারণা নেয়া যাক: ভালো মানের আগর কাঠের মূল্য প্রতি কেজি প্রায় ৭.৭৫ লক্ষ টাকারও বেশি হয়ে থাকে। চাষ হওয়া গাছের প্রতি কেজি আগর কাঠের মূল্য ৫০০০ ডলার বা প্রায় ৩.৮৭ লক্ষ টাকা। এভারেজ মামের আগর তেলের প্রতি কেজির মূল্য ৮০০০ ডলার বা প্রায় ৬.২০ লক্ষ টাকা। আশ্চর্যজনক তথ্য হলো উচ্চ মানের আগর তেল ৫০,০০০ ডলার বা প্রায় ৩৮.৭৫ লক্ষ টাকার বেশি মূল্যে বিক্রি হয়। আগরের প্রধান আমদানীকারক দেশ হলো, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জাপান, সৌদি আরব ও তাইওয়ান। প্রধান রপ্তানিকারক দেশ হলো, সিংগাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দেনেশিয়াও থাইল্যান্ড। প্রতিবছর  সিংগাপুর থেকে ১.২ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৯,৩০০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের আগর জাত সামগ্রী রপ্তানি করা হয়।

সিলেটের কিছু অঞ্চলে আগর চাষ করা হয়। ছোট বড় বাগানের পাশাপাশি বসতবাটির আঙ্গিনায় পর্যন্ত আগর চাষ করা হচ্ছে। এখানকার আগর চাষের ইতিহাস প্রায় ৪০০ বছরের পূরাতন। বন বিভাগর মাধ্যমে দেশের কিছু এলাকায় আগর বাগান করা করা করা হয়েছে। তাছাড়া চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ব্রাক এর নিজস্ব বাগানে ২০০৭ সাল থেকে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্বল্প সময়ের মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে আগর কাঠ সংগ্রহের লক্ষ্যে আগর প্লান্টেশন এর একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানা যায়।

এদেশে আগরের সম্ভাবনা ও প্রতিবন্ধকতা গুলো কি?
আগর উৎপাদনকে প্রধানমন্ত্রী শিল্প হিসেবে ঘোষণা করেছেন। বাংলাদেশের সিলেট, চট্টগাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে আগর চাষের জন্য উপযোগী ভূমি রয়েছে এবং বর্তমানে সেখানে আগরের আবাদ হচ্ছে।

উৎপাদিত আগরের মান নিয়ন্ত্রণ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মান সম্পন্ন আগর উৎপাদন করতে না পারলে বিদেশে ভাল দাম পাওয়া যাবে না। তাই উৎপাদিত আগরের মান নিয়ন্ত্রণের জন্য একাধিক ল্যাবরেটরি স্থাপন করতে হবে। ইতোমধ্যে মৌলভীবাজারে ল্যাবরেটরি স্থাপন হচ্ছে। সনাতন পদ্ধতির বদলে আগর তেলসহ অন্যান্য আগরজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা সম্ভব হলে আগর শিল্পে বাংলাদেশ অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করতে পারে।

আগর চাষ বিষয়ে আমাদের আধুনিক কারিগরী জ্ঞানের অভাব রয়েছে। সনাতন চাষ পদ্ধতির কারণে পণ্যের মানও কম। আগর শিল্পে আমাদের সবচেয়ে সমস্যা অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্য ও উচ্চ রপ্তানি শুল্ক। বৈধ উপায়ে নানা হয়রানির শিকার হওয়ায় ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে আতর রফতানি করছেন। কেউ যাত্রীদের মাধ্যমেও বিদেশ পাঠাচ্ছেন। যার ফলে কিছু আঞ্চলিক রফতানি ব্যুরোর কাছে নেই রফতানির সঠিক হিসাব। তাছাড়া আগর শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার ভিষণ অভাব লক্ষনীয়। এছাড়া রয়েছে আইনি জটিলতা, বন বিভাগ ও আগর চাষীদের রেসারেসি। আগর শিল্প একটি জ্বালানি প্রধান শিল্প হওয়ায় গ্যাস সঙ্কটের কারণে আগর উৎপাদনে সমস্যা হচ্ছে।

সম্ভাবনাময় এই শিল্পকে এগিতে নিতে হলে সঠিক পরিকল্পনা ও প্রযুক্তির ব্যবহারের বিকল্প নেই। এ বিষয়ে থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ভারত প্রভৃতি দেশের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো যেতে পারে। তাছাড়া যারা বংশ পরম্পরায় আগর চাষের সাথে জড়িত, তাদের উন্নত প্রযুক্তি ও সরকারী পৃষ্ঠপোষকতার আওতায় এনে এ শিল্পকে দ্রূত সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। সরকারি পলিসি সাপোর্ট পাওয়া গেলে এ খাতে বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো যাবে। ফলে আগর শিল্প বাংলাদেশে একটি অন্যতম বৈদেশিক মূদ্রা অর্জনকারী খাত হিসেবে স্থান করে নিবে।

#Himel_Rahman
#DefRes

Wednesday, March 7, 2018

জাতীয় পরিচয়পত্র ভুল থাকলে,হারালে, অথবা নতুন করতে গেলে করণীয়

স্টাফ রিপোটার:>>>>>>

কিভাবে করব, কোথায় করব, কি কি লাগবে ইত্যাদি বিষয় জানেন না। আর এ সমস্যা সমাধানের জন্য কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করলে আশা করি সবাই উপকার পাবেন।



জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়ে গেলে, ভুল থাকলে অথবা নতুন পরিচয়পত্র করতে গেলে কি করবেন? এছাড়াও অনেককেই জাতীয় পরিচয়পত্রের বিভিন্ন ভুলভ্রান্তি নিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয়। আবার যারা নতুন পরিচয়পত্র করতে চান তারাও এ বিষয়ে অনেকে অজ্ঞ। কিভাবে করব, কোথায় করব, কি কি লাগবে ইত্যাদি বিষয় জানেন না। আর এ সমস্যা সমাধানের জন্য কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করলে আশা করি সবাই উপকার পাবেন।



পরিচয়পত্রে নিজের নাম, পিতা, মাতা, স্বামী, স্ত্রী ও অভিভাবকের নাম, জন্মতারিখ, রক্তের গ্রুপ এবং ঠিকানা সংশোধন কিংবা বদল করতে হতে পারে। এ জন্য প্রার্থীকে সাদা কাগজে ‘ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানে সহায়তা প্রদান প্রকল্প’- এর পরিচালকেরকাছে আবেদন করতে হবে। এই আবেদন আগারগাঁওয়ের ইসলামিক ফাউন্ডেশন ভবনের সপ্তম তলায় প্রকল্প কার্যালয়ে পাওয়া ছক বা ফরমেও করা যায়।



ফরম পূরণ করে প্রকল্প কার্যালয়ের নির্দিষ্ট কাউন্টারে জমা দেওয়ার পর সেখান থেকে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র (প্রাপ্তি নম্বরসংবলিত) দেওয়া হয়। এতে সংশোধিত জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার তারিখ উল্লেখ থাকবে। এই তারিখের সাত দিনের মধ্যে কাউন্টার থেকে সংশোধিত পরিচয়পত্র নিতে হবে।



নাম সংশোধনঃ কেউ পরিচয়পত্রে থাকা নিজের নাম, পিতা, স্বামী কিংবা মাতার নাম সংশোধন করতে চাইলে তাকে আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে-

১। এসএসসি বা সমমান সনদ

২। নাগরিকত্ব সনদ

৩। জন্মনিবন্ধন সনদ

৪। চাকরির প্রমাণপত্র

৫। পাসপোর্ট

৬। নিকাহনামা

৭। পিতা, স্বামী কিংবা মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।



আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত এসব নথি অবশ্যই সত্যায়িত হতে হবে। এ ক্ষেত্রে উল্লেখ করা নথির যার যেটি আছে, শুধু সেটি দিলেই চলবে। যেমন, যার শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসির কম, তাকে এসএসসি বা সমমানের সনদের ফটোকপি জমা দিতে হবে না। আবার কেউ যদি চাকরি না করেন, তাকে চাকরির প্রমাণপত্র দিতে হবে না। আবার পাসপোর্ট না থাকলে তা দেয়ার দরকার নেই।



নাম পরিবর্তনঃ

জাতীয় পরিচয়পত্রে নিজের নাম বদল করতে হলে আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে এসএসসি বা সমমানের সনদের সত্যায়িত ফটোকপি (শিক্ষাগত যোগ্যতা এর নিচে হলে দেয়ার দরকার নেই), বিবাহিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে স্ত্রী বা স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সম্পাদিত এফিডেভিট এবং জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত নাম পরিবর্তনসংক্রান্ত বিজ্ঞাপনের কপি। নাম পরিবর্তনের জন্য প্রার্থীকে শুনানির দিন প্রকল্পের কার্যালয়ে কাগজপত্রের মূল কপিসহ হাজির হতে হবে।



স্বামীর নাম সংযোজন বা বাদ দেওয়াঃ

বিয়ের পর কেউ জাতীয় পরিচয়পত্রে স্বামীর নাম যুক্ত করতে চাইলে তাকে কাবিননামা ও স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্র আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে। আর বিবাহবিচ্ছেদের কারণে স্বামীর নাম বাদ দিতে চাইলে আবেদনকারীকে তালাকনামার সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে।



পিতা বা মাতার নাম পরিবর্তনঃ

পিতা বা মাতার নাম পরিবর্তন করতে হলে আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে এসএসসি বা এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার সনদ অথবা রেজিস্ট্রেশন কার্ড। পিতা বা মাতার পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি। পিতা বা মাতা বা উভয়ে মৃত হলে দিতে হবে ভাই বা বোনের পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি। পিতা-মাতার নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আবেদনকারীর সাক্ষাৎকার নিতে পারেন।



জন্মতারিখ সংশোধনঃ

যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা সমমানের, তাদের আবেদনপত্রের সঙ্গে এসএসসি বা সমমানের সনদের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হবে। বয়সের পার্থক্য অস্বাভাবিক না হলে প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে উল্লেখ করা তারিখে সংশোধিত পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়। অস্বাভাবিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সনদের মূল কপি প্রদর্শন কিংবা ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশ নিতে হতে পারে। যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা সমমানের কম, তাদের জন্মতারিখ সংশোধনের জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার আগের তারিখে পাওয়া সার্ভিস বুক বা এমপিওর কপি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, জন্ম সদন, নিকাহনামা, পাসপোর্টের কপি প্রভৃতি। এ ক্ষেত্রে প্রকল্প কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা প্রকল্প পরিচালক আবেদনকারীর সাক্ষাৎকার নিয়ে থাকেন। এ ছাড়া দরকার হলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে সরেজমিনে তদন্ত করা হয়।



ঠিকানা সংশোধনঃ

জাতীয় পরিচয়পত্রে থাকা বর্তমান ঠিকানা ও ভোটার এলাকা বদল করার সুযোগ আছে। তবে সারা বছর সেই সুযোগ মেলে না। এটা শুধু ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার সময় করা যাবে। বর্তমানে হালনাগাদ করার কাজটি করা হয় শুধু জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে। সারা বছর ভোটার এলাকা বদলের সুযোগ থাকে না কেন, জানতে চাইলে প্রকল্পের কমিউনিকেশন অফিসার দেবাশীষ কুণ্ডু বলেন, ‘আমাদের দেশে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভিন্ন ভিন্ন সময়ে হয়। দেখা যায়, একই বছর একাধিক নির্বাচন হয়। একই বছরে কেউ যাতে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট দিতে না পারেন, তাই সারা বছর ভোটার এলাকা বদলের সুযোগ দেওয়া হয় না।’ হালনাগাদ করার সময় ভোটার এলাকা বদল করতে হলে নতুন ঠিকানার উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিস থেকে দেওয়া ফরম-১৩ অথবা ফরম-১৪ পূরণ করে উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। তবে ঠিকানা পরিবর্তন না করে সংশোধন (বানান, বাড়ির নম্বর, সড়ক নম্বর ভুল থাকলে) করার সুযোগ ঢাকার প্রকল্প কার্যালয়ে রয়েছে।এ ছাড়া স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন বা এর কোনো তথ্য সংশোধনেরও সুযোগ আছে। ঠিকানার ছোটখাটো ভুল সংশোধন বা স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের সুযোগ সারা বছরই থাকে। এ জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রকল্প কার্যালয়ের নির্দিষ্ট কাউন্টারে জমা দিতে হবে পরিবারের কোনো সদস্যের পরিচয়পত্রের কপি, গ্যাস, বিদ্যুৎ, টেলিফোন বিলের যেকোনো একটির কপি বা কর দেওয়ার কপি। আরও জমা দিতে হবে চেয়ারম্যান বা ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র। স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ওই ঠিকানায় নিজের নামে বা পিতা বা মাতার নামে থাকা জমি বা ফ্ল্যাটের দলিলের সত্যায়িত ফটোকপিও জমা দিতে হবে।



রক্তের গ্রুপ সংশোধনঃ

রক্তের গ্রুপ সংশোধন করতে হলে মেডিকেল প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।



বিবিধ সংশোধনঃ

জাতীয় পরিচয়পত্রে কোনো নামের আগে পদবি, উপাধি, খেতাব ইত্যাদি সংযুক্ত করা যাবে না। পিতা বা স্বামী বা মাতাকে মৃত উল্লেখ করতে চাইলে মৃত্যুর সনদ দাখিল করতে হবে। জীবিত পিতা বা স্বামী বা মাতাকে ভুলক্রমে মৃত হিসেবে উল্লেখ করার কারণে পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্রের কপি দাখিল করতে হবে।



হালনাগাদ কর্মসূচির পরিচয়পত্র সংশোধনঃ

২০০৯ সালে হালনাগাদ কর্মসূচির সময় যাদের নাম ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়েছে, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রে কোনো ভুল থাকলে বা হারিয়ে গেলে তাদের ২০১০ সালের ডিসেম্বরের পর প্রকল্প কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে হবে।



পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলেঃ

পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট থানায় ভোটার নম্বর বা আইডি নম্বর উল্লেখ করে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে। এরপর জিডির মূল কপিসহ প্রকল্প কার্যালয় থেকে নেওয়া ছকের আবেদনপত্র নির্দিষ্ট কাউন্টারে জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র নিতে হবে। প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে উল্লেখ করা তারিখে ডুপ্লিকেট পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়।



যারা এখনো পরিচয়পত্র ওঠাননিঃ

ঢাকা সিটি করপোরেশনের যেসব বাসিন্দা (ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী, শ্যামপুর থানা ছাড়া) ২০০৭-০৮ সালে পরিচয়পত্রের জন্য সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন, কিন্তু সেটি সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে গিয়ে আর আনেননি, তারা প্রকল্প কার্যালয়ে গিয়ে মূল প্রাপ্তি রসিদ জমা দিয়ে সেই পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে পারবেন। ডিসিসির বাইরে ঢাকা জেলার অন্যান্য উপজেলা বা থানার বাসিন্দা কিংবা দেশের অন্য কোনো জেলার বাসিন্দারা পরিচয়পত্র নির্দিষ্ট সময়ে না উঠিয়ে থাকলে, তাঁদের প্রাপ্তি রসিদ সংশ্লিষ্ট উপজেলা, থানা বা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার মন্তব্যসহ প্রাপ্তি রসিদ জমা দিয়ে পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে পারবেন। তাঁদের মূল প্রাপ্তি রসিদ প্রকল্প কার্যালয়ের নির্দিষ্ট কাউন্টারে জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র গ্রহণ করতে হবে। প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে উল্লেখ করা তারিখে তাঁদের পরিচয়পত্র দেওয়া হবে।



অভিবাসীরা যেভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র পাবেনঃ

অভিবাসী বাংলাদেশিদের জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার সুযোগ আছে। এ জন্য তাঁদের অবশ্যই দেশে আসতে হবে। তাঁদের থাকতে হবে পাসপোর্ট। আর তাতে বাংলাদেশে আসার সিল (অ্যারাইভাল সিল) থাকতে হবে। কারও যদি পাসপোর্ট না থাকে, তবে তাঁকে এমন কোনো কাগজ দেখাতে হবে, যেটা প্রমাণ করে যে তিনি বিদেশে ছিলেন। পাসপোর্ট বা সেই প্রমাণপত্র নিয়ে তাঁকে যেতে হবে তাঁর থানা বা উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে। সেখানে জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া এবং ভোটার হওয়ার আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। সেখানে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আবেদনকারীকে ফরম ও আনুষঙ্গিক কাগজপত্র নিয়ে আসতে হবে জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে। সেই দপ্তর থেকে সব কাগজপত্র ডাকযোগে পাঠিয়ে দেওয়া হবে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অধীনে থাকা ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানে সহায়তা প্রদান প্রকল্পের দপ্তরে। তবে জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে কাগজপত্রের সব প্রক্রিয়া শেষ করে আবেদনকারী সেগুলো হাতে হাতে নিয়ে আসতে পারেন প্রকল্পের কার্যালয়ে। এখানে আবেদনকারীর ছবি তোলা হবে, নেওয়া হবে হাতের ছাপ ও চোখের (আইরিশ) স্ক্যান। এসব কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর আবেদনকারীকে প্রাপ্তি রসিদ দেওয়া হবে। তাতে আবেদনকারীকে ১৫ দিন পর আগারগাঁওয়ের ইসলামিক ফাউন্ডেশন ভবনের সপ্তম তলায় প্রকল্পের দপ্তর থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য বলা হবে। তখন অবশ্যই প্রাপ্তি রসিদ আবেদনকারীর সঙ্গে থাকতে হবে।



নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে হলেঃ

বাংলাদেশে কারও বয়স ১৮ বছর হলেই কেবল তিনি ভোটার তালিকায় নাম ওঠাতে পারবেন। দেশের প্রতিটি উপজেলায় সার্ভার স্টেশন তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। এসব স্টেশনে ভোটার তালিকা তৈরি ও বিতরণের কাজ করা হবে। এগুলোয় কার্যক্রম শুরু হলে যখন যার বয়স ১৮ বছর হবে, তখন তিনি ভোটার তালিকায় নাম ওঠাতে পারবেন। এখন ১৮ বছর পূর্ণ হওয়া মাত্রই জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির সুযোগ থাকছে তাদেরই, যাদের চিকিৎসা, পড়াশোনা বা কাজের জন্য বিদেশে যেতে হবে। এ জাতীয় কোনো প্রয়োজনীয়তার প্রমাণ দেখাতে হবে।



যোগাযোগঃ

ভোটার তালিকাসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে হলে যোগাযোগ করতে হবে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানে সহায়তা প্রদান প্রকল্পের আগারগাঁওয়ের ইসলামিক ফাউন্ডেশন ভবনের সপ্তম তলার কার্যালয়ে।

Sunday, July 2, 2017

সাইটে কাজ হবে ভিডিও দেখা।

সাইটে কাজ হবে ভিডিও দেখা।
১ টা ভিডিও তে দিবে 0.50$
আর 5 ভিডিও তে 0.50*5=2.5$
https://wintub.com/?r=2352889
আর প্রতি টা রেফার থেকে আপনি
প্রতিদিন পাবেন 0.10$। যদি আপনার ১০
টা রেফার থাকে তাহলে আপনার daily
আয় ২ $।
যেহেতু সাইট টা অনেক দিন আছে তাই 5-6
মাস পর আপনার রেফার অনেক হবে আর
আয় বারবে।
(amar reffer 119 ta ar amar income 400$+
per month)
কাজ শুরু করার পর আপনাকে ১৫ দিন
নিয়মিত কাজ করতে হবে। কারন ১৫ দিনে
২০$ আয় করে আপনার আইডি active করতে
হবে। এখন কাজ শুরু করার পর আপনি ৫-৬ টা
রেফার করলে ১২-১৩ দিনেই ২০$ আয় করতে
পারবেন।
....................................site
https://wintub.com/?r=2352889

work -- view 5 video
eran -- 1$-10$(per day)
payment -- paypaletc.
refferel commission -- 10%
direct reffer -- Unlimited
Partner site -- Youtube
বিঃদ্রঃ- আপনারা রেফার কোড ছাড়া
আইডি চালু করতে পারবেন না।
wবিকাসে এ withdraw দিলে ২ দিন লাগে।
payment 100%....sure


+++++++++++++++++++++++++++++++++

Part Time Jobs-Simple Online jobs. Work From home. Bi-weekly Payments. We offer Genuine Extra Income from Home as Part Time jobs, Online Part Time Jobs, Online Jobs, etc. Earn unlimited money <<<<<$50 - 49 $ >>>>>Doller from home.
link: https://goo.gl/3JHgth
https://goo.gl/3JHgth
https://goo.gl/3JHgth

++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++

Earn an Extra $100to $150 per month doing Part Time Data Entry Jobs! Work from home data entry jobs to post simple data submissions on Internet. Make $1 per entry. Easy form filling, data entry and ad posting jobs. No selling, No phone calls, No Marketing. No Investment. Bi-weekly payments. Full Training Provided. Pls visit

Saturday, December 17, 2016

Best Revenue Share -Traffichurricane, Mypayingcryptoads,Theadsteam,10adspay,Zfshare, Mypayingads.

REVENUE SHARE কী?

রিভিনিও শেয়ারিং সাইট বা রেভশেয়ার সাইট মানে এখানে শেয়ার কিনে আয় করতে হয়। রিভিনিও হচ্ছে কোম্পানির প্রতিদিন যত আয় হয় আমরা শেয়ারে অংশ কিনে নিলে কোম্পানির প্রতিদিনের লাভের কিছু অংশ আমাদেরও দিবে।

আমি আগেই বলেছি এটি একটি শেয়ার সাইট। তাই এখানে ইনভেস্ট করে কাজ করতে হবে। অনেকতো ফ্রী সাইটে কাজ করেছেন,সময় দিয়েছেন।এবার একটু ইনভেস্ট করা সাইট-এ কাজ করে দেখেন ফ্রী সাইট থেকে কত Profitable । প্রথমে কাজ শুরু করেন বেশি ইনভেস্ট করার দরকার নেই অল্প অল্প করে করবেন। আবার ক্যাশ দেওয়ার মত টাকা হলেই ক্যাশ আউট দিয়ে দিবেন ব্যস। উদাহরন স্বরূপ 5$ করে 10 টা প্যাক কিনতে আপনার খরছ হবে 50$ যা আপনাকে 20% লাভ দিয়ে শেষ হবে, আপনি পাবেন 60$ । কিন্তু এই লাভ আমাদের উদ্দেশ্য না। আমাদের উদ্দেশ্য হল unlimited আয় করা। তাই Revenue Share Site আমাদের কাজ হল প্রথম ১-২ মাস প্যাক এর সংখ্যা বাড়ানো ।

আবার উদাহরন দিচ্ছিঃ
স্ট্র্যাটেজি ১- আপনি যদি 5$ করে 10 টা প্যাক কিনেন তা হলে আপনার প্রতিদিন আয় হবে 1$+ আপনি যদি 1 মাস নিয়মিত প্যাক কিনতে থাকেন তাহলে আপনার প্যাক হবে 20+। এখন আপনার প্রতিদিন আয় 2$+

স্ট্র্যাটেজী ২ :
এই পর্যায়ে প্রতি ১৫ দিনে একটি টার্গেট রাখবেন, প্রথম ১০ দিনের রেভেনিউ রিইনভেস্ট ও পরের ৫দিনের রেভিনিউ ক্যাশ আউট করবেন ৷ ৫ দিন রেভিনিউ ক্যাশ আউট করার ফলে আপনার কিছু প্যাক কমবে কিন্তু আবার ১০ দিন প্যাক কিনার কারনে আবার প্যাক বেড়ে যাবে। এভাবে unlimited আয় করতে পারবেন।
তবে আগে রেজিস্টার করতে হবে রেজিস্টার করতে কোন টাকা খরচ হয়না। তারপর আমি Step by Step সব কিছু দেখাবো। আমার রেফারে রেজিষ্টার করলে হেল্পটা অনেক বেশি পাবেন স্বাভাবিক ভাবে। আমি যথেষ্ট হেল্প করবো সব ব্যাপারে।

বর্তমানে সেরা সাতটি রেভশেয়ার সাইট হলঃ
১) মাইপেইং এডস
২) মাই পেয়িং ক্রিপ্টো এডস
৩) দি এডস টিম
৪) ১০এডস পে
৫) দি ট্রাফিক ইনকাম
৬) জেড এফ শেয়ার 
৭) ট্রাফিক হ্যারিকেন


Traffichurricane.plus - এ একাউন্ট খোলার ও কাজের নিয়ম



**Traffichurricane.plus Signup করার আগে আপনাকে E-wallet একাউন্ট খুলে নিতে হবে 

খুশির খবর হচ্ছে Traffichurricane.plus হতে Payza & SolidTrustPay এর মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করা যায়। Payza & SolidTrustPay দিয়ে টাকা উত্তোলন করা একদম সহজ। আর এখানে রেজিস্ট্রেশন করতে আপনার  ভোটার আইডি কার্ড  না থাকলে আপনার পরিবারের অন্য কারো ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন।আমার মতে ট্রাফিক হ্যারিকেন জন্য Payza ই বেস্ট । 

আর একটা গুতত্ত্বপূর্ণ কথা বলি যাদের ন্যাশনাল আইডি কার্ড  বা ভোটার আইডি কার্ড  নাই তারা পরিবারের অন্য সদসদের  ন্যাশনাল আইডি কার্ড  বা ভোটার আইডি কার্ড  তথ্য দিয়ে  Traffichurricane.plus  রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন।

অনেকে তাড়াতাড়ি করতে যেয়ে অনেক সময় শুদ্ধভাবে তাদের রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন না। দয়া করে এই লিখা টা না পড়ে রেজিস্ট্রেশন করতে যাবেন না। এতে আপনারও সময় নষ্ট হবেনা এবং আপনার স্পন্সর এর ও সময় নষ্ট হবেনা। এই লিখা টি ধাপে ধাপে অনুসরন করুন।

আজই ট্রাফিক হ্যারিকেন এ রেজিস্ট্রেশন করুন নীচের লিংকটি আপনার রেজিস্ট্রেশন লিংক :
আপনার এনরোলার / স্পন্সর - এর ইউজার নেইমঃ mmm10  

ধাপ ১ - ট্রাফিক হ্যারিকেন এ রেজিস্ট্রেশনঃ এই লিংক এ ক্লিক করুন। লিংক টি তে ক্লিক করতে না পারলে এই ওয়েবসাইট এড্রেস টি কপি করুন তারপর আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজার এ নতুন একটা ট্যাব খুলে পেষ্ট করুন। তারপর এন্টার চাপ দিন।

ওয়েবসাইট লিংকঃ https://traffichurricane.plus/?ref=mmm10


ওয়েবসাইট এ যাওয়ার পর Signup এ ক্লিক করুন।




আপনি রেজিস্ট্রেশন পেইজ এ চলে আসলেন। আপনার এনরোলার এর নামঃ Md Mohsin Miah

পার্সোনাল ইনফর্মেশনঃ













১- আপনার প্রথম নাম (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী )। যদি আপনার নাম রাকিব মিয়া হয় তাহলে  আপনার প্রথম নাম রাকিব ।
২- আপনার শেষ নাম (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী )। রাকিব মিয়ার জন্য মিয়া।
৩- আপনার জন্ম তারিখ (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী )। (উদাহরণ :01/07/1995)
৪- আপনার ইমেইল এড্রেস। শুধু জিমেইল ইমেইল ব্যাবহার করবেন।
৫- একই ইমেইল এড্রেস টি আবার টাইপ করুন




৬-পূর্ণ (পুরো) ঠিকানা । (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী )
৭- গ্রাম/শহরের নাম । (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী )
৮- জেলার নাম । (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী )
৯- দেশের নাম - Bangladesh সিলেক্ট করে দিবেন ।
১০- পোস্ট অফিসের নাম্বার ।(ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী - উদাহরণ : 1400 )
১১- আপনার ফোন নাম্বার। (আন্তর্জাতিক ফরম্যাট +৮৮ দিয়ে শুরু হবে)
১২- আপনার ইউজার নেইম (ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর এবং সংখ্যা। কোন ডলার, হ্যাসট্যাগ ব্যাবহার করবেন না)
১৩- একটি পাসওয়ার্ড দিন (শুধুমাত্র ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর এবং সংখ্যা। ৪ টি সংখ্যা এবং ৪ টি ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর।)
১৪- একই পাসওয়ার্ড টি আবার টাইপ করুন।
১৫ - টাকা তোলার কোড (৪ টি সংখ্যা এবং ১ টি ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর)
১৬ - একই কোড টি আবার টাইপ করুন।

পেমেন্ট ইনফর্মেশন ও  নিরাপত্তা প্রশ্ন


যেকোনো একটি দিবেন। চেষ্টা করবেন শুধু পেজা দিয়ে। পেজা অ্যাকাউন্ট না থাকলে এখানে ক্লিক করুন এবং অ্যাকাউন্ট করুন। কোন কারনে পেজা না নিলে সলিডট্রাস্ট ব্যবহার করুন। সলিডট্রাস্ট অ্যাকাউন্ট না থাকলে এখানে ক্লিক করুন এবং অ্যাকাউন্ট করুন। দুইটাতেই অ্যাকাউন্ট করে নেন কারন অনলাইন বিজনেস এ এই অ্যাকাউন্ট গুলো সবসময় লাগে।

Payza & SolidTrustPay কিভাবে খুলতে হয় তার A to Z দেওয়া আছে এই লিংকে  : ewallet10.blogspot.com

 এ ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাইনআপ পেইজ এ যখন আবার আসবেন তখন ধাপ ১ থেকে আবার শুরু করবেন।
১৭- পেজা ইমেইল এড্রেস টা দিন।
১৮- যদি ১৭ নাম্বারে পেজা দিয়ে থাকেন তাহলে দেয়ার দরকার নাই। না দিয়ে থাকলে সলিডট্রাস্ট ইউজার নেইম টা দেবেন। (ইউজার নেইম শুধু, ইমেইল নয়।)
১৯ - যেকোনো একটা বন্দুর নাম দিন । আমার মতে তিনটি Security Questions একই দেওয়া উতিচ মনে রাখার জন্য  (যেমন :  Shaon)
২০- প্রিয় স্কুলের নাম দিন। (যেমন :  Shaon)
২১- নিজের শহরের নামটা দিন। (যেমন : Shaon)
*** ১৯, ২০, ২১ এই  টার Security Questions একই উত্তর দিবেন মনে রাখার জন্য । আপনি যখন SING IN করবেন তখন Security Questions চাবে ।***

কোম্পানি টার্মস এবং কন্ডিশনস



২২- ক্লিক করুন। দেখবেন একটা টিক মার্ক আসবে।
২৩- গোল করা জায়গায় যা লিখা থাকবে তা টাইপ করুন। এটাকে ক্যাপচা বলে।
২৪- এবং ফাইনালী প্রসিড(PROCEED) ক্লিক করুন।

    যদি আপনার আই পি নিয়ে অথবা অন্য কোন সমস্যা না হয় তাহলে আপনার রেজিস্ট্রেশন হয়ে যাওয়ার কথা। 

ধাপ ২ - ইমেইল এক্টিভেশনঃ এ ক্ষেত্রে আপনি ধাপ ১ এর  এ দেয়া ইমেইল এড্রেস এ একটি এক্টিভেশন ইমেইল পাবেন। ইমেইল সাবজেক্ট হবেঃ From Traffichurricane : Verification email কিছুটা এই রকম. 




ইমেইল টি ওপেন করলে এই রকম একটি ইমেইল দেখতে পারবেন। এক্টিভেশন লিংক টি তে ক্লিক করবেন।

 (মনে রাখবেন ইমেইল টি সেইভ করে রাখবেন।)




এক্টিভেশন লিংক টি তে ক্লিক করলে নীচের পেইজটির মত পেইজ আসবে। 


২৫ - ১২ এ তৈরী করা ইউজার নেইম দেন।
২৬- ১৩  এ তৈরী করা পাসওয়ার্ড দেন।
২৭  -  - এ ক্লিক করুন।


 আপনি সফল ভাবে আপনার ট্রাফিক মন্সুন অ্যাকাউন্ট খুলে ফেললেন। 

মনে রাখবেন আপনার...

 এনরুলারের ইউজার নেইম mmm10



আজই ট্রাফিক হ্যারিকেন এ রেজিস্ট্রেশন করুন 

নীচের লিংকটি আপনার রেজিস্ট্রেশন লিংক 

https://traffichurricane.plus/?ref=mmm10

আপনার এনরোলার / স্পন্সর - এর নামঃ Md Mohsin Miah 

আপনার এনরোলার / স্পন্সর - এর ইউজার নেইমঃ mmm10


 দৈনিক ফ্রিতে ন্যুনতম ০.১০$ - ১$ এর Cashlinks পাবেন। আর রেফারেল কমিশন এখানে ১০০%। এবং আপনার রেফারে যারা জয়েন করবে তাদের কোনো কিছু ক্রয়ে আপনিও কমিশন পাবেন।

সবথেকে বড় কথা হল এখানে আপনি আপনার সাইটের বিজ্ঞাপন ফ্রিতে করতে পারবেন। যা থেকে আপনি বেশি কাস্টমার পেতে পারেন। এবং অন্য সাইটের রেফারেল লিংকের বিজ্ঞাপন করার মাধ্যমে সে সাইটের রেফারেল পাওয়াও সম্ভব।

কোন ডিভাইস প্রয়োজন এখানে কাজ করতে
কম্পিউটার বা আপনার হাতের কাছের শখের Android মোবাইলটি হলেই এখানে কাজ করতে পারবেন।

বিশেষ দ্রষ্টব্য
Android এর ক্ষেত্রে আপনি যে কোনো সিম কার্ডের ইনটারনেট ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু কম্পিউটারের ক্ষেত্রে Qubee,Banglalion,ওলো,zoom ultra ইত্যাদি মডেম ব্যবহার করাই উত্তম। অন্যথায় আইপি জনিত সমস্যায় পড়তে পারেন।

+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++

Mypayingcryptoads - এ একাউন্ট খোলার নিয়ম :



**Mypayingcryptoads এর Signup করার আগে আপনাকে E-wallet একাউন্ট খুলে নিতে হবে ।সারা পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় Electric money transfer way হচ্ছে paypal। কিন্তু বাংলাদেশ/পাকিস্তান এ Paypal অনুমদিত নয়।India তে Paypal আছে কিন্তু কিছু Restriction আছে। Payza & SolidTrustPay বাংলাদেশ/ইন্ডিয়া তে সরকারি ভাবে অনুমদিত। 

খুশির খবর হচ্ছে Mypayingcryptoads হতে Payza & SolidTrustPay এর মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করা যায়। Payza & SolidTrustPay দিয়ে টাকা উত্তোলন করা একদম সহজ। আর এখানে রেজিস্ট্রেশন করতে আপনার  ভোটার আইডি কার্ড  না থাকলে আপনার পরিবারের অন্য কারো ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন।আমার মতে ট্রাফিক হ্যারিকেন জন্য Payza ই বেস্ট । 

★★আর একটা গুতত্ত্বপূর্ণ কথা বলি যাদের ন্যাশনাল আইডি কার্ড  বা ভোটার আইডি কার্ড  নাই তারা পরিবারের অন্য সদসদের  ন্যাশনাল আইডি কার্ড  বা ভোটার আইডি কার্ড  তথ্য দিয়ে Mypayingcryptoads রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন।

অনেকে তাড়াতাড়ি করতে যেয়ে অনেক সময় শুদ্ধভাবে তাদের রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন না। দয়া করে এই লিখা টা না পড়ে রেজিস্ট্রেশন করতে যাবেন না। এতে আপনারও সময় নষ্ট হবেনা এবং আপনার স্পন্সর এর ও সময় নষ্ট হবেনা। এই লিখা টি ধাপে ধাপে অনুসরন করুন।

আজই Mypayingcryptoads এ রেজিস্ট্রেশন করুন। নীচের লিংকটি আপনার রেজিস্ট্রেশন লিংক :

https://www.mypayingcryptoads.com/ref/5532/signup

Sponsor (স্পন্সর) - এর ইউজার নেইমঃ mmm10

Mypayingcryptoads এ রেজিস্ট্রেশনঃ এই লিংক এ ক্লিক করুন। লিংক টি তে ক্লিক করতে না পারলে এইওয়েবসাইট এড্রেস টি কপি করুন তারপর আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজার এ নতুন একটা ট্যাব খুলে পেষ্ট করুন। তারপর এন্টার চাপ দিন।

ওয়েবসাইট লিংকঃ https://www.mypayingcryptoads.com/ref/5532/signup

আপনি রেজিস্ট্রেশন পেইজ এ চলে আসলেন।

পার্সোনাল ইনফর্মেশনঃ

১-আপনার Sponsor(স্পন্সর) - এর সিরিয়াল নম্বর ও ইউজার নেইমঃ 5532 - mmm10
২- আপনার প্রথম নাম (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী )। যদি আপনার নাম রাকিব মিয়া হয় তাহলে  আপনার প্রথম নাম রাকিব ।
৩- আপনার শেষ নাম (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী )। রাকিব মিয়ার জন্য মিয়া।
৪- আপনার ইমেইল এড্রেস। শুধু জিমেইল ইমেইল ব্যাবহার করবেন।
৫ - আপনার ইউজার নেইম (ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর এবং সংখ্যা। কোন ডলার, হ্যাসট্যাগ ব্যাবহার করবেন না)
৬- একটি পাসওয়ার্ড দিন (শুধুমাত্র ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর এবং সংখ্যা। ৪ টি সংখ্যা এবং ৪ টি ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর।)
৭- একই পাসওয়ার্ড টি আবার টাইপ করুন।
৮- ক্লিক করুন। দেখবেন একটা টিক মার্ক আসবে।
৯ - এবং ফাইনালী রেজিস্টার (REGISTER) ক্লিক করুন।



+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++


Theadsteam - এ একাউন্ট খোলার নিয়ম :



Theadsteam এ রেজিস্ট্রেশনঃ এই লিংক এ ক্লিক করুন। লিংক টি তে ক্লিক করতে না পারলে এই ওয়েবসাইট এড্রেস টি কপি করুন তারপর আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজার এ নতুন একটা ট্যাব খুলে পেষ্ট করুন। তারপর এন্টার চাপ দিন।


আজই Theadsteam এ রেজিস্ট্রেশন করুন। নীচের লিংকটি আপনার রেজিস্ট্রেশন লিংক :






Sponsor (স্পন্সর) - এর ইউজার নেইমঃ mmm10






আপনি রেজিস্ট্রেশন পেইজ এ চলে আসলেন।



পার্সোনাল ইনফর্মেশনঃ





১-আপনার Sponsor(স্পন্সর) - এর সিরিয়াল নম্বর ও ইউজার নেইমঃ 27845 - mmm10
২- আপনার প্রথম নাম (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী )। যদি আপনার নাম রাকিব মিয়া হয় তাহলে  আপনার প্রথম নাম রাকিব ।
৩- আপনার শেষ নাম (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী )। রাকিব মিয়ার জন্য মিয়া।
৪- আপনার ইমেইল এড্রেস। শুধু জিমেইল ইমেইল ব্যাবহার করবেন।
৫- একই ইমেইল এড্রেস টি আবার টাইপ করুন
 - আপনার ইউজার নেইম (ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর এবং সংখ্যা। কোন ডলার, হ্যাসট্যাগ ব্যাবহার করবেন না)
- একটি পাসওয়ার্ড দিন (শুধুমাত্র ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর এবং সংখ্যা। ৪ টি সংখ্যা এবং ৪ টি ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর।)
- একই পাসওয়ার্ড টি আবার টাইপ করুন।
৯ -  আপনার ফোন নাম্বার। (আন্তর্জাতিক ফরম্যাট +৮৮ দিয়ে শুরু হবে)
১০ - গোল করা জায়গায় যা লিখা থাকবে তা টাইপ করুন। এটাকে ক্যাপচা বলে।
১১ - ক্লিক করুন। দেখবেন একটা টিক মার্ক আসবে।
১২ - এবং ফাইনালী রেজিস্টার (REGISTER) ক্লিক করুন।



+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++

10adspay - এ একাউন্ট খোলার নিয়ম :


10adspay এ রেজিস্ট্রেশনঃ এই লিংক এ ক্লিক করুন। লিংক টি তে ক্লিক করতে না পারলে এই ওয়েবসাইট এড্রেস টি কপি করুন তারপর আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজার এ নতুন একটা ট্যাব খুলে পেষ্ট করুন। তারপর এন্টার চাপ দিন।


আজই 10adspay এ রেজিস্ট্রেশন করুন। নীচের লিংকটি আপনার রেজিস্ট্রেশন লিংক :


Sponsor (স্পন্সর) - এর ইউজার নেইমঃ mmm10


আপনি রেজিস্ট্রেশন পেইজ এ চলে আসলেন।

পার্সোনাল ইনফর্মেশনঃ





১-আপনার Sponsor(স্পন্সর) - এর সিরিয়াল নম্বর ও ইউজার নেইমঃ 8760 - mmm10
২- আপনার প্রথম নাম (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী )। যদি আপনার নাম রাকিব মিয়া হয় তাহলে  আপনার প্রথম নাম রাকিব ।
৩- আপনার শেষ নাম (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী )। রাকিব মিয়ার জন্য মিয়া।
৪- আপনার ইমেইল এড্রেস। শুধু জিমেইল ইমেইল ব্যাবহার করবেন।
 - আপনার ইউজার নেইম (ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর এবং সংখ্যা। কোন ডলার, হ্যাসট্যাগ ব্যাবহার করবেন না)
৬ - একটি পাসওয়ার্ড দিন (শুধুমাত্র ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর এবং সংখ্যা। ৪ টি সংখ্যা এবং ৪ টি ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর।)
৭ - একই পাসওয়ার্ড টি আবার টাইপ করুন।
 পেমেন্ট প্রসেসর পায়জা সিলেক্ট করে দিন।  
৯  - আপনি পায়জা একাউন্ট যে ইমেইল দিয়ে খুলসেন সেই ইমেইলটা দিবেন। 
১০ দেশের নাম - Bangladesh সিলেক্ট করে দিবেন ।
১১ -গোল করা জায়গায় যা লিখা থাকবে তা টাইপ করুন। এটাকে ক্যাপচা বলে।
১২ - ক্লিক করুন। দেখবেন একটা টিক মার্ক আসবে।
১৩ - এবং ফাইনালী রেজিস্টার (REGISTER) ক্লিক করুন।


+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++

Zfshare - এ একাউন্ট খোলার নিয়ম :



আজই Zfshare এ রেজিস্ট্রেশন করুন। নীচের লিংকটি আপনার রেজিস্ট্রেশন লিংক :

Sponsor (স্পন্সর) - এর ইউজার নেইমঃ mmm10

Zfshare এ রেজিস্ট্রেশনঃ এই লিংক এ ক্লিক করুন। লিংক টি তে ক্লিক করতে না পারলে এইওয়েবসাইট এড্রেস টি কপি করুন তারপর আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজার এ নতুন একটা ট্যাব খুলে পেষ্ট করুন। তারপর এন্টার চাপ দিন।

ওয়েবসাইট লিংকঃ https://www.zfshare.com/ref/mmm10



আপনি রেজিস্ট্রেশন পেইজ এ চলে আসলেন।

পার্সোনাল ইনফর্মেশনঃ



১-আপনার Sponsor(স্পন্সর) - এর সিরিয়াল নম্বর ও ইউজার নেইমঃ 8113 - mmm10
২- আপনার প্রথম নাম (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী )। যদি আপনার নাম রাকিব মিয়া হয় তাহলে  আপনার প্রথম নাম রাকিব ।
৩- আপনার শেষ নাম (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী )। রাকিব মিয়ার জন্য মিয়া।
৪- আপনার ইমেইল এড্রেস। শুধু জিমেইল ইমেইল ব্যাবহার করবেন।
 - আপনার ইউজার নেইম (ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর এবং সংখ্যা। কোন ডলার, হ্যাসট্যাগ ব্যাবহার করবেন না)
৬ - একটি পাসওয়ার্ড দিন (শুধুমাত্র ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর এবং সংখ্যা। ৪ টি সংখ্যা এবং ৪ টি ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর।)
৭ - একই পাসওয়ার্ড টি আবার টাইপ করুন।
 দেশের নাম - Bangladesh সিলেক্ট করে দিবেন ।
৯  - আপনার ঠিকানা দিবেন। 
১০ আপনার ফোন নাম্বার। (আন্তর্জাতিক ফরম্যাট +৮৮ দিয়ে শুরু হবে)
১১ -গোল করা জায়গায় যা লিখা থাকবে তা টাইপ করুন। এটাকে ক্যাপচা বলে।
১২ - ক্লিক করুন। দেখবেন একটা টিক মার্ক আসবে।
১৩ - এবং ফাইনালী রেজিস্টার (REGISTER) ক্লিক করুন।





+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++


Mypayingads - এ একাউন্ট খোলার নিয়ম :



**Mypayingads এর Signup করার আগে আপনাকে E-wallet একাউন্ট খুলে নিতে হবে ।


খুশির খবর হচ্ছে Mypayingads হতে Payza & SolidTrustPay এর মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করা যায়। Payza & SolidTrustPay দিয়ে টাকা উত্তোলন করা একদম সহজ। আর এখানে রেজিস্ট্রেশন করতে আপনার  ভোটার আইডি কার্ড  না থাকলে আপনার পরিবারের অন্য কারো ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন।আমার মতে ট্রাফিক হ্যারিকেন জন্য Payza ই বেস্ট । 

★★আর একটা গুতত্ত্বপূর্ণ কথা বলি যাদের ন্যাশনাল আইডি কার্ড  বা ভোটার আইডি কার্ড  নাই তারা পরিবারের অন্য সদসদের  ন্যাশনাল আইডি কার্ড  বা ভোটার আইডি কার্ড  তথ্য দিয়ে Mypayingads রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন।

অনেকে তাড়াতাড়ি করতে যেয়ে অনেক সময় শুদ্ধভাবে তাদের রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন না। দয়া করে এই লিখা টা না পড়ে রেজিস্ট্রেশন করতে যাবেন না। এতে আপনারও সময় নষ্ট হবেনা এবং আপনার স্পন্সর এর ও সময় নষ্ট হবেনা। এই লিখা টি ধাপে ধাপে অনুসরন করুন।

আজই Mypayingads এ রেজিস্ট্রেশন করুন। নীচের লিংকটি আপনার রেজিস্ট্রেশন লিংক :


Sponsor (স্পন্সর) - এর ইউজার নেইমঃ mmm

ধাপ ১ - Mypayingads এ রেজিস্ট্রেশনঃ এই লিংক এ ক্লিক করুন। লিংক টি তে ক্লিক করতে না পারলে এই ওয়েবসাইট এড্রেস টি কপি করুন তারপর আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজার এ নতুন একটা ট্যাব খুলে পেষ্ট করুন। তারপর এন্টার চাপ দিন।

ওয়েবসাইট লিংকঃ https://www.mypayingads.com/ref/12990/signup

ওয়েবসাইট এ যাওয়ার পর Signup এ ক্লিক করুন।


আপনি Sign Up পেইজ এ চলে আসলেন।

পার্সোনাল ইনফর্মেশনঃ




১-আপনার Sponsor(স্পন্সর) - এর সিরিয়াল নম্বর ও ইউজার নেইমঃ12990 - mmm
২- আপনার শেষ  নাম (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী )। যদি আপনার নাম রাকিব মিয়া হয় তাহলে আপনার প্রথম নাম মিয়া ।
৩- আপনার প্রথম নাম (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী )। রাকিব মিয়ার জন্য রাকিব।
৪- আপনার ইমেইল এড্রেস। শুধু জিমেইল ইমেইল ব্যাবহার করবেন।
৫ - আপনার ইউজার নেইম (ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর এবং সংখ্যা। কোন ডলার, হ্যাসট্যাগ ব্যাবহার করবেন না)
৬- একটি পাসওয়ার্ড দিন (শুধুমাত্র ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর এবং সংখ্যা। ৪ টি সংখ্যা এবং ৪ টি ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর।)
৭- একই পাসওয়ার্ড টি আবার টাইপ করুন।
৮- ক্লিক করুন। দেখবেন একটা টিক মার্ক আসবে।
৯ - এবং ফাইনালী রেজিস্টার (REGISTER) ক্লিক করুন।

Wednesday, June 29, 2016

Revenue Share With Us

Trafficmonsoon - এ একাউন্ট খোলার ও কাজের নিয়ম



Trafficmonsoon থেকে মাসে $ ৩০০ - $ ৩০০০ ইনকাম করা সম্ভব।

যদি ১০০ টি ট্রাস্টেড রেভিনিউ শেয়ারিং সাইটের কথা বলা হয় তার মধ্যে Trafficmonsoon হল ১ নাম্বার। এদের সার্ভিস অন্যান্য সাইটের থেকে অনেক আলাদা। আপনারা যদি ইনভেস্ট করে কাজ করতে চান তাহলে অনায়াসে Trafficmonsoon কে নির্বাচন করতে পারেন। এখানকার Payment সিস্টেম একেবারেই ইন্সট্যান্ট। এ সাইটে কাজ করে আপনারা আপনাদের ভাগ্য বদলে দিতে পারেন অনায়াসে। বাঙালী পাবলিকের আবার রাতারাতি বড়লোক হওয়ার চিন্তা ভাবনা। আমি বলি, ওইসব ফাঁদে পা দিয়ে আজ অনেকেই অনেক কিছু হারাচ্ছেন। কেউ বা দুইদিনে কোটিপতি হওয়ার জন্য কিছু কিছু সাইটে হাজার হাজার ডলার পর্যন্ত বিনিয়োগ করছে। শেষমেশ তাদের পরিণতি হচ্ছে ভয়াবহ। লাভ তো দূরের কথা আসল টা উঠানো নিয়ে টানাহ্যাঁচড়া শুরু হয়। তাই ওইসব ফাঁদে পা না দিয়ে বিনিয়োগ করার চিন্তা ভাবনা থাকলে এ সাইটে করুন। আর Trafficmonsoon সাইটের বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কার্যালয় আছে। USA,UK,Dubai etc. এমনকি দুবাইতে Trafficmonsoon এর একটি ব্যাংক আছে। অতি শীগ্রই বিশ্বের অনেক দেশে এই ব্যাংকের শাখা হবে। Trafficmonsoon তাদের কোনো কিছু গোপন রাখেনা। তাদের কাছে মোট কত টাকা আছে এবং সেগুলো কিসে আছে তার সব চার্ট এই সাইটে দেয়া আছে। এদের মূল উদ্দেশ্য জনগণের টাকা মেরে পালিয়ে যাওয়া না, মূলত এটিকে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইউজারদের সেবা দিয়ে যাওয়া।


Share Up To 110 % - 10% Affiliate Program


খুশির খবর হচ্ছে Trafficmonsoon হতে Payza & SolidTrustPay এর মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করা যায়। Payza & SolidTrustPay দিয়ে টাকা উত্তোলন করা একদম সহজ। আর এখানে রেজিস্ট্রেশন করতে আপনার  ভোটার আইডি কার্ড  না থাকলে আপনার পরিবারের অন্য কারো ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন।আমার মতে ট্রাফিকমনসুন জন্য Payza ই বেস্ট  

Payza & SolidTrustPay  তে রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন


ট্রাফিক মন্সুন - এ রেজিস্ট্রেশন করার ধাপ


আর একটা গুতত্ত্বপূর্ণ কথা বলি যাদের ন্যাশনাল আইডি কার্ড  বা ভোটার আইডি কার্ড  নাই তারা পরিবারের অন্য সদসদের  ন্যাশনাল আইডি কার্ড  বা ভোটার আইডি কার্ড  তথ্য দিয়ে Trafficmonsoon রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন।


অনেকে তাড়াতাড়ি করতে যেয়ে অনেক সময় শুদ্ধভাবে তাদের রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন না। দয়া করে এই লিখা টা না পড়ে রেজিস্ট্রেশন করতে যাবেন না। এতে আপনারও সময় নষ্ট হবেনা এবং আপনার স্পন্সর এর ও সময় নষ্ট হবেনা। এই লিখা টি ধাপে ধাপে অনুসরন করুন। 

আজই ট্রাফিক মন্সুন এ রেজিস্ট্রেশন করুন 

নীচের লিংকটি আপনার রেজিস্ট্রেশন লিংক 

আপনার এনরোলার / স্পন্সর - এর ইউজার নেইমঃ mmm10  

ধাপ ১ - ট্রাফিক মন্সুন এ রেজিস্ট্রেশনঃ এই লিংক এ ক্লিক করুন। লিংক টি তে ক্লিক করতে না পারলে এই ওয়েবসাইট এড্রেস টি কপি করুন তারপর আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজার এ নতুন একটা ট্যাব খুলে পেষ্ট করুন। তারপর এন্টার চাপ দিন। 

ওয়েবসাইট লিংকঃ https://trafficmonsoon.com/?ref=mmm10 


ওয়েবসাইট এ যাওয়ার পর Signup এ ক্লিক করুন। 



আপনি রেজিস্ট্রেশন পেইজ এ চলে আসলেন। 

আপনার এনরোলার এর নামঃ Md Mohsin Miah



পার্সোনাল ইনফর্মেশনঃ 

 ১- আপনার প্রথম নাম (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী )। যদি আপনার নাম রকিব মিয়া হয় তাহলে  আপনার প্রথম নাম রকিব। 
 ২- আপনার শেষ নাম (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী )। রকিব মেয়ার জন্য মিয়া। 
 ৩- আপনার জন্ম তারিখ (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী )। (উদাহরণ :11/08/1995) 
 ৪- আপনার ইমেইল এড্রেস। শুধু জিমেইল ইমেইল ব্যাবহার করবেন। 
 ৫- একই ইমেইল এড্রেস টি আবার টাইপ করুন


৬-পূর্ণ (পুরো) ঠিকানা  (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী )
৭- গ্রাম/শহরের নাম  (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী ) 
৮- জেলার নাম । (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী ) 
৯- পোস্ট অফিসের নাম্বার (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ীউদাহরণ : 1200 ) 
১০- আপনার ফোন নাম্বার। (আন্তর্জাতিক ফরম্যাট ০০৮৮ দিয়ে শুরু হবে) 
১১- আপনার ইউজার নেইম (ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর এবং সংখ্যা। কোন ডলার, হ্যাসট্যাগ ব্যাবহার করবেন না) 
১২- একটি পাসওয়ার্ড দিন (শুধুমাত্র ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর এবং সংখ্যা। ৪ টি সংখ্যা এবং ৪ টি ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর।) 
১৩- একই পাসওয়ার্ড টি আবার টাইপ করুন।
১৪ - টাকা তোলার কোড (৪ টি সংখ্যা এবং ১ টি ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষর)
১৫ - একই কোড টি আবার টাইপ করুন। 

পেমেন্ট ইনফর্মেশনঃ ও  নিরাপত্তা প্রশ্ন


যেকোনো একটি দিবেন। চেষ্টা করবেন শুধু পেজা দিয়ে। পেজা অ্যাকাউন্ট না থাকলে এখানে ক্লিক করুন এবং অ্যাকাউন্ট করুন। কোন কারনে পেজা না নিলে সলিডট্রাস্ট ব্যবহার করুন। সলিডট্রাস্ট অ্যাকাউন্ট না থাকলে এখানে ক্লিক করুন এবং অ্যাকাউন্ট করুন। দুইটাতেই অ্যাকাউন্ট করে নেন কারন অনলাইন বিজনেস এ এই অ্যাকাউন্ট গুলো সবসময় লাগে। 

Payza & SolidTrustPay কিভাবে খুলতে হয় তার A to Z দেওয়া আছে এই লিংকে  :       ewallet10.blogspot.com

 এ ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাইনআপ পেইজ এ যখন আবার আসবেন তখন ধাপ ১ থেকে আবার শুরু করবেন। 
১৬- পেজা ইমেইল এড্রেস টা দিন। 
১৭- যদি ১৬ নাম্বারে পেজা দিয়ে থাকেন তাহলে দেয়ার দরকার নাই। না দিয়ে থাকলে সলিডট্রাস্ট ইউজার নেইম টা দেবেন। (ইউজার নেইম শুধু, ইমেইল নয়।) 
১৮ - যেকোনো একটা বন্দুর নাম দিন । (যেমন :  Shaon)
১৯- প্রিয় স্কুলের নাম দিন। (যেমন :  Shaon)
২০- নিজের শহরের নামটা দিন। (যেমন : Shaon)
*** ১৮,১৯,২০ এই  টার Security Questions একই উত্তর দিবেন মনে রাখার জন্য । আপনি যখন SING IN করবেন তখন Security Questions চাবে ***
কোম্পানি টার্মস এবং কন্ডিশনস 
২১- বক্স টায় ক্লিক করুন। দেখবেন একটা টিক মার্ক আসবে। 
২২- গোল করা জায়গায় যা লিখা থাকবে তা টাইপ করুন। এটাকে ক্যাপচা বলে। 
২৩- এবং ফাইনালী প্রসিড(PROCEED) ক্লিক করুন।

    যদি আপনার আই পি নিয়ে অথবা অন্য কোন সমস্যা না হয় তাহলে আপনার রেজিস্ট্রেশন হয়ে যাওয়ার কথা। 

ধাপ ২ - ইমেইল এক্টিভেশনঃ এ ক্ষেত্রে আপনি ধাপ ১ এর এ দেয়া ইমেইল এড্রেস এ একটি এক্টিভেশন ইমেইল পাবেন। ইমেইল সাবজেক্ট হবেঃ From Trafficmonsoon : Verification email কিছুটা এই রকম... 


ইমেইল টি ওপেন করলে এই রকম একটি ইমেইল দেখতে পারবেন। এক্টিভেশন লিংক টি তে ক্লিক করবেন। 
 (মনে রাখবেন ইমেইল টি সেইভ করে রাখবেন।)


এক্টিভেশন লিংক টি তে ক্লিক করলে নীচের পেইজটির মত পেইজ আসবে। 


২৪- ১১ এ তৈরী করা ইউজার নেইম দেন। 
২৫ - ১২ এ তৈরী করা পাসওয়ার্ড দেন। 
২৬ -  - এ ক্লিক করুন। 


 আপনি সফল ভাবে আপনার ট্রাফিক মন্সুন অ্যাকাউন্ট খুলে ফেললেন। 

মনে রাখবেন আপনার...

 এনরুলারের ইউজার নেইম mmm10


আজই ট্রাফিক মন্সুন এ রেজিস্ট্রেশন করুন 

নীচের লিংকটি আপনার রেজিস্ট্রেশন লিংক 

https://trafficmonsoon.com/?ref=mmm10 

আপনার এনরোলার / স্পন্সর - এর নামঃ Md Mohsin Miah 

আপনার এনরোলার / স্পন্সর - এর ইউজার নেইমঃ mmm10

Share Up To 110 % - 10% Affiliate Program

শেয়ারের মূল্যঃ 
প্রতিটি Adpack এর মূল্য ৫০ ডলার করে। আপনি যত ইচ্ছা কিনতে পারবেন। প্রত্যেকটি Adpack এর মেয়াদ থাকবে ৫৫ দিন। এবং প্রতিটি শেয়ার থেকে আপনি দিনে ১ ডলার করে পাবেন ৫৫ দিন পর্যন্ত। এই ১ ডলার আপনার মূল একাউন্ট ব্যালেন্সে অটোমেটিক্যালি জমা হয়ে যাবে। বিনিময়ে আপনাকে শুধুমাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একবার  ১০ টা Ad Surfing করতে হবে( মিনিটের কাজ)। তারপর শেয়ারটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাবে। অর্থাৎ ৫৫ দিন শেষে একটি শেয়ার থেকে আপনার লাভ আসবে ৫ ডলার। আপেক্ষিক দৃষ্টিতে এটা কম মনে হলেও আসলে কিন্তু এখানেই মূল বিইজনেস।

ট্রাফিক মন্সুন বিজনেসটা আসলে কী?
আপনি যদি ২ টা Adpack কিনেন তাহলে আপনার খরচ হবে ১০০ ডলার। এবং ৫৫ দিন পর আপনার লাভ আসবে    ১০ ডলার। কিন্তু আমরা ১০ ডলার লাভের আসায় ৫৫ দিন বসে থাকবনা। ২৫ দিন পর আপনার ব্যালেন্স হবে ৫০ ডলার (২৫ * ২ = ৫০ ডলার ) আপনি  আরও একটি  Adpack  কিনতে পারবেন ।  এখন  আপনার Adpack ৩ টা এভাবে ১৭ দিন পর ৫১ ডলার (১৭ * ৩=৫১ ডলার) আপনি আরও একটি  Adpack   কিনতে পারবেন । এখন  আপনার  Adpack   টা এভাবে  দিন পর ২ ডলার  (৩  =৫২ ডলার)   আপনি  আরও একটি  Adpack   কিনতে পারবেন । এভাবে আমরা প্রথম ৩-৪ মাস টানা  শুধুমাত্র  Adpack কিনেই যাবো। তাহলে আমাদের ১২০ দিন বা চার মাসের মাথায় Adpack হয়ে যাবে ১০ টা। যার মূল্য ৫০০ ডলার। এখন আপনি একটা লেভেলে চলে আসবেন। এবং নিজে থেকেই বুঝতে পারবেন যে এখান থেকে কত ডলার বের করে ব্যবসা টাকে নিয়মিত রাখা যায়। হিসাব করার জন্য আপনারা Trafficmonsoon Adpack Calulator টি ব্যবহার করতে পারেন। ডাউনলোড করতে এখানে Trafficmonsoon Adpack Calculator ক্লিক করুন।
চাইলে আপনারা বেশি শেয়ারও কিনতে পারেন। অবশ্য ৩-৪ মাস পর যখন আপনার এই সাইটের প্রতি বিশ্বাস সৃষ্টি হয়ে যাবে তখন আপনারা চাইবেন আরো বেশি ইনভেস্ট করতে।

এছাড়াও এখানে আপনারা দৈনিক ফ্রিতে ন্যুনতম ০.১০$ এর Cashlinks পাবেন। আর রেফারেল কমিশন এখানে ১০০%। এবং আপনার রেফারে যারা জয়েন করবে তাদের কোনো কিছু ক্রয়ে আপনিও কমিশন পাবেন।

সবথেকে বড় কথা হল এখানে আপনি আপনার সাইটের বিজ্ঞাপন ফ্রিতে করতে পারবেন। যা থেকে আপনি বেশি কাস্টমার পেতে পারেন। এবং অন্য সাইটের রেফারেল লিংকের বিজ্ঞাপন করার মাধ্যমে সে সাইটের রেফারেল পাওয়াও সম্ভব।

কোন ডিভাইস প্রয়োজন এখানে কাজ করতে
কম্পিউটার বা আপনার হাতের কাছের শখের Android মোবাইলটি হলেই এখানে কাজ করতে পারবেন।

বিশেষ দ্রষ্টব্য
Android এর ক্ষেত্রে আপনি যে কোনো সিম কার্ডের ইনটারনেট ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু কম্পিউটারের ক্ষেত্রে Qubee,Banglalion,ওলো,zoom ultra ইত্যাদি মডেম ব্যবহার করাই উত্তম। অন্যথায় আইপি জনিত সমস্যায় পড়তে পারেন।

Share Up To 110 % - 10% Affiliate Program

কিভাবে Account Approve করাবেন আপনার Trafficmonsoon Account এ লগইন করুন।

আপনার Trafficmonsoon Account এ লগইন করুন।


বামপাশে উপরে আপনার প্রোফাইলে খেয়াল করুন, দেখুন Account Status: Not Approved লিখা আছে।এটাতে ক্লিক করুন।আমারটা আগেই Approved করা তাই  Approved দেখাচ্ছে।


যে পেজ ওপেন হবে সেখানে ভোটার আইডির Scan Copy আপলোড করুন।



ঠিক ভাবে আপলোড হলে Sucessfull দেখাবে.এবার পেজ এর একদম নিচে গিয়ে Support এ ক্লিক করুন



এখান থেকে NEED HELP CHAT এ ক্লিক করুন।



Full Name, Email, Mobile Number দিয়ে ক্লিক করুন।


নিচের ছবির মত Message এর ঘরে পুরন করে Send লেখায় ক্লিক করুন।



########

Bank একাউন্ট খুলুন 

https://secure.payza.com/?PrKF6KEcRHglsZpSUYrjXYbAsF15Pjx4tbNCsr222yc%3d



কোন Bankটিকে লেনদেন জন্য web সাইট গুলি সবচেয়ে বেশি সাপোট করে। 

যে Bank টি লেনদেন জন্য web গুলি সবচেয়ে বেশি সাপোট করে , সেই Bank টি হল Payza Bank । এই Bank কে কিভাবে একাউন্ট Open  করবেন ,কিভাবে একাউন্টি Verified  করবেন  এবং কিভাবে লোকাল Bank একাউন্ট Add করবেন ।আজ আমরা এ নিয়ে আলোচনা করব। 

**Payza Bank একাউন্টি যে সুবিধা গুলো আপনাকে দিবে। 

– এটি সম্পুর্ন ফ্রি ।
– এর সিকিউরিটি অত্যান্ত ভালো ।
– US ডলার কে টাকায় পরিনিত করতে পারবেন ।
– টাকা উঠানো অনেক সহজ ।
– প্রায় সব ধরনের ইনভেস্টমেন্ট /জব সাইট সাপোর্ট করে ।
– Payza Bank থেকে যে কোন লোকাল ব্যাংকে আনতে পারবেন। 

**কিভাবে payza অ্যাকাউন্ট খুলবেনঃ

১। payza account  খুলাটা খুব sensetive। একটা কমা(,) ভুল হলে Account verified  হবে না। ভোটার/রেশন/ ন্যাশনাল/ পাসপোর্ট/ ড্রাইভিং id কার্ড এ আপনার নাম/Date of birth যে ভাবে আছে সেই ভাবে দিতে হবে।

২।  Account verified করার জন্য Bank statement/ Electricity bill( বিল যদি নিজের নামে হয়)( যে কোন ১টি) এর Scan copy + ভোটার/ ন্যাশনাল/ ড্রাইভিং/ পাসপোর্ট( যে কোন ১টি) Scan copy লাগবে।Bank statement/ Electricity bill( যেটি use করেবন) এ আপনার যে অ্যাড্রেস দেওয়া আছে payza তে  Account খুলার সময় সেই ভাবে অ্যাড্রেস দিবেন । ১টা কমাও যেন ভুল না হয়।{ Password/pin/ Security question  গুল লিখে রাখেন গোপন কোন জায়গায়।

**Payza ব্যাংকে কিভাবে একাউন্ট করবেন। 

নিচের লিঙ্ক এ ক্লিক করে personal account খুলুন :


স্টেপ ১ :
Sign Up বাটনে ক্লিক পর একটি পেজ আসবে এখান থেকে আপনি Personal এ ক্লিক করুন ।

স্টেপ ২ :  
Personal এ ক্লিক করার পর আপনার নাম বসান (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী ) Email , Password বসান ।
Get Started বাটনে ক্লিক করুন।

স্টেপ ৩ :
Get Started বাটনে ক্লিক করার পর আপনাকে Email Verification করতে হবে ।

স্টেপ ৪ :
আপনার Email চেক করুন দেখবেন আপনাকে Email এ একটা Mail এসেছে Payza থেকে Mail টা Open করুন এবং Validate my email লিংকে ক্লিক করুন । এবার দেখুন আপনার একাউন্ট তৈরি হয়ে গেছে এখান থেকে Complete profile setup ক্লিক করুন আর আপনার বাকি তথ্য গুলো বসান। ঠিকানা অবশ্যই Bank Statement এর সাথে হুবহু মিল রেখে পুরন করবেন। লক্ষ্য রাখবেন কোন বানান যেন ভুল না হয় ।

স্টেপ ৫ :
Complete Profile Setup কাজ শেষ এবার আমরা একাউন্ট ভেরিফাই করবো । একাউন্ট ভেরিফাই করার জন্য আপনার Full Name এর উপর ক্লিক করুন দেখবেন নিচে একটা Menu মত এসেছে এখান থেকে Verification লেখাতে ক্লিক করুন ।

স্টেপ ৬ :
Verification লেখাতে ক্লিক করার পর দেখবেন ২ টা অপশন এসেছে । এখান থেকে অপশন A ক্লিক করুন ।
অপশন A ক্লিক করার পর আপনার ভোটার ID কার্ড সাথে Bank Statement Scan করে Upload করুন ।( Bank Statement ১ মাসের বেশি পুরনো যেন না হয় )। Bank Statement পাবার জন্য আপনার যে ব্যাংকে একাউন্ট আছে সেই ব্যাংকে যোগাযোগ করুন । ভোটার ID কার্ড আর Bank Statement Upload করা হলে দেখবেন ২-৩ দিনের মধ্যেই আপনার একাউন্ট Verified হয়ে গেছে । তারপর আপনি বাংলাদেশের যে ব্যাংকে টাকা আনতে চান সেই ব্যাংকটি যুক্ত করুন পেজাতে ।